চটজলদি ইজি ফেসিয়াল

কাজের চাপ, পড়াশোনা সব বিভিন্ন ব্যস্ততায় তকেও যত্নই নেওয়া হচ্ছেনা? ভাবছেন ফেসিয়াল করতে অনেকটা সময় লাগবে পার্লারে যেয়ে। মোটেও না। আমি এবারে নিয়ে এলাম ইজি ফেসিয়াল করার পদ্ধতি। খুবই সহজ এটা করা। আর সব উপকরন ঘরেই থাকবে সবার। মানে এটা হলো বেসিক একোটা ফেসিয়াল। তাই আর্টিকেলটি পরে ঝটপট চলে যান কিচেনে। আর উপকরণ গুলো নিয়ে শুরু করে দিন চটজলদি ইজি ফেসিয়াল।

সপ্তাহে একবার ফেসিয়াল করতে পারলে ত্বকের জন্য উত্তম। তবে সম্ভব না হলে কমপক্ষে মাসে একবার ফেসিয়াল করতে হবে। চলুন তবে জেনে নিই ঘরোয়া এই ফেসিয়ালের নিয়ম-কানুন

ধাপ-১

ফেসিয়াল করার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে দুহাত ধুয়ে নিন। অল্প পরিমাণে ক্লিনিজিং লোশন নিয়ে মুখ, গলা ও ঘাড়ে ম্যাসাজ করতে থাকুন। ক্লিনজিং করার পরই ফ্রেশনিং করবেন। তুলা পানিতে ভিজিয়ে বাড়তি পানি বের করে নিন। এবার ভেজা তুলায় ৫-৬ ফোঁটা ফ্রেশনার ঢেলে নিন। মুখ, গলা ও ঘাড়ে তুলা বুলিয়ে নিন। আপনার ত্বক স্বাভাবিক বা মিশ্র হলে ফ্রেশনিং করার সময় টোনার ফ্রেশনার বা স্কিন টনিক ব্যবহার করবেন।
এবার ময়েশ্চারাইজিং লোশন ভালো করে সারা ত্বকে লাগিয়ে নিন। পাঁচ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন।

ধাপ-২

এবার ফেসপ্যাক লাগানোর পালা। এ ক্ষেত্রে ত্বক বুঝে ফেসপ্যাক নির্বাচন করতে হবে।
স্বাভাবিক ত্বকে মুলতানি মাটির মাস্ক, চন্দনের মাস্ক, মধু ও গাজরের ফেসপ্যাক, অলিভ অয়েল ও ডিমের ফেসপ্যাক, বেসন ও গাজরের ফেসপ্যাক, ময়দা ও মধুর মাস্ক লাগাতে পারেন।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ওটমিল মাস্ক, মধুর মাস্ক, শসা ও ডিমের ফেসপ্যাক, কমলালেবু ও ডিমের ফেসপ্যাক, আপেল ও মধুর ফেসপ্যাক ভাল।

ত্বক শুষ্ক হলে দুধ ও ময়দার মাস্ক, দুধের সর ও মধুর মাস্ক, মাখন ও মধুর ফেসপ্যাক, বেসন ও মধুর ফেসপ্যাক, দুধের সর ও বাদাম তেলের ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

ধাপ-৩

মাস্ক মুখে লাগানোর পর মুখ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায় ও ত্বকের ওপর শক্ত হয়ে প্রলেপ পড়ে। কিন্তু ফেসপ্যাক সে তুলনায় ধীরে ধীরে শুকাতে থাকে। বাড়িতে মাস্ক বা ফেসপ্যাক ব্যবহারের সময় কিছুটা সতর্কতা পালন করা দরকার।
যেমন মাস্ক বা ফেসপ্যাক তৈরি করার সময় যে পানি ব্যবহার করবেন সেই পানি দশ মিনিট ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে নেবেন।
মাস্ক বা ফেসপ্যাক রাখার পাত্র হিসেবে কাচ বা চীনামাটির পাত্র ব্যবহার করবেন।
মিশ্রণের জন্য প্লাস্টিক বা কাঠের চামচ ব্যবহার করা উচিত।

মাস্ক বা ফেসপ্যাক লাগানোর সময় বা লাগানোর পর কথা বলবেন না। চোখ বন্ধ করে ২০ মিনিট বিশ্রাম করুন।
এ সময় কচি শসা গোল করে কেটে চোখ ঢেকে দিন।

২০ মিনিট পর প্রথমে কুসুম গরম পানি ও পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখের মাস্ক বা ফেসপ্যাক ধুয়ে ফেলতে হবে।

ব্যাস হয়ে গেলো!

এরকম চটপটে সব আর্টিকেল পেতে থাকুন চটপটের সাথেই।

Written By
More from Health Aide

মানসিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবেন যেভাবে

রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা সব মানুষের মধ্যে কমবেশি রয়েছে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হলো বিভিন্ন ধরনের...
Read More